ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অর্থনৈতিক আচরণে মিলতে পারে ডিমেনশিয়ার আগাম সংকেত স্বজন হারানো ও বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও গাজায় সেরা শিক্ষার্থী সাবা রাবাহ ‘ভেঙে পড়েছেন’ এমি, ভবিষ্যৎ নিয়ে কী ভাবনা আর্জেন্টাইন গোলরক্ষকের রাজধানীর ১২০ মোড়ে বসছে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল শিক্ষার্থীদের নিজেদের সন্তান মনে করে শিক্ষা দিতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী ক্ষতিকর কনটেন্ট না দেখানোর আইন কতটা মানছে ইউটিউব, কারা ঝুঁকিতে স্বর্ণের দাম কমছে কেন, আরও কত কমতে পারে সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা, উত্তরে বাড়ছে তিস্তার পানি সঙ্গীকে দেওয়া সেলিব্রিটি ‘সেক্স পাস’ কি আদৌ ভালো ধারণা বন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি, আছে স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ মৃত্যুর পরও মানুষ আপনাকে কেন মনে রাখবে খামেনি হত্যার প্রতিশোধের তালিকায় শীর্ষ ১৩ নেতা, প্রথমেই ট্রাম্প ইংল্যান্ডের সঙ্গে ৫ দেখায় ৩ হার, আর্জেন্টিনার লড়াই কতটা কঠিন তীব্র গরমে নারীরা কেন পুরুষের চেয়ে বেশি ভোগেন চীনের জিয়াংসি প্রদেশের সরকারি বৃত্তি, বয়সসীমা ২৫ বছর ঘুমে ঝাঁকুনি অনুভব হয় কেন, হিপনিক জার্ক কি বড় কোনো রোগ বৃষ্টির দিনের জনপ্রিয় গান কক্সবাজারে বানের পানির স্রোতে ভেসে গেছে দুই শিশু গাজা ইস্যুতে বার্নহামের ক্ষমাপ্রার্থনা, যুক্তরাজ্যের নীতিতে কি বদল আসছে জিমের নতুন ট্রেন্ড ইএমএস ওয়ার্কআউট আসলে কতটা কার্যকর
ad728

করোনাকালে দেশে ফেরা ৪৭ শতাংশ প্রবাসীই বেকার

রিপোর্টারের নাম: The Daily Moon
  • সংবাদ প্রকাশের তারিখ : Aug 14, 2026 ইং
  • ৭৮১ বার
ছবির ক্যাপশন: করোনাকালে দেশে ফেরা ৪৭ শতাংশ প্রবাসীই বেকার

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত আসা প্রবাসী কর্মীদের ৪৭ শতাংশই এখনো আয়ের জন্য কোনো কাজে যুক্ত হতে পারেননি। একইসঙ্গে বিদেশফেরতদের ৯৮ শতাংশই তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন। বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের ‘বিদেশফেরতদের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি অন্বেষণ এবং বিশ্লেষণ’ শীর্ষক এক জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) অনলাইনে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচি প্রধান শরিফুল হাসান প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম বলছে, দেশে ফেরত আসা প্রবাসী কর্মীদের অনেকেই দৈনন্দিন খরচ চালাতে পরিবারের আয় বা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধার-দেনার ওপর নির্ভর করছেন। অন্যদিকে ৫৩ শতাংশ কর্মী কৃষিকাজ, ছোটখাটো ব্যবসা বা শ্রমিক হিসেবে নিজেকে যুক্ত করে বর্তমানে পরিবার চালাচ্ছেন।

ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচি প্রধান শরিফুল হাসান জানান, বিশ্বব্যাপী করোনা সংক্রমণ শুরুর পর গত বছরের মার্চ-এপ্রিলে ফেরত আসা প্রবাসী কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে সে বছরের ২২ মে একটি জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল ব্র্যাক। এক বছর পর পরিস্থিতির কতটা উন্নতি হয়েছে, তা জানতেই ফের জরিপ করা হয়।

জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, গতবছর বিদেশফেরতদের ৮৭ শতাংশ বলেছিলেন, তাদের কোনো আয়ের উৎস নেই। এবার দেখা গেছে, উত্তরদাতাদের প্রায় ৫৩ শতাংশ (৫২ দশমিক ৭৭ শতাংশ) কোনো না কোনো কাজে নিজেকে যুক্ত করতে পেরেছেন।

এর মধ্যে ২৪ দশমিক ১৯ শতাংশ কৃষি কাজে যুক্ত হয়েছেন, ২২ দশমিক ৩৩ শতাংশ দিনমজুরি বা এ ধরনের কোনো কাজে যুক্ত হয়েছেন এবং ৩৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ ছোট কোনো ব্যবসা শুরু করেছেন। এছাড়া ১৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ অন্য কোনো না কোনো কাজ করছেন।

তবে উত্তরদাতাদের মধ্যে ৪৭ শতাংশ (৪৭ দশমিক ২২ শতাংশ) বিদেশফেরতই গত এক বছরেও কোনো প্রকার কাজ যোগাড় করতে পারেননি। তারা তাদের দৈনন্দিন খরচ চালাতে পরিবারের আয় বা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধার দেনার ওপর নির্ভর করছেন।

উত্তরদাতাদের ২৮ শতাংশ বলেছেন, তারা ইতোমধ্যে ধারদেনায় জর্জরিত হয়েছেন। ৭২ শতাংশ বলেছেন, তারা আবারও বিদেশে চলে যেতে চান।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম জানিয়েছে, প্রতিবেদনে প্রবাসীদের বর্তমান মানসিক অবস্থাও উঠে এসেছে। গতবছর অংশগ্রহণকারীদের ৭৪ শতাংশ জানিয়েছিলেন, তারা ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচণ্ড দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও ভীতির মধ্যে রয়েছেন। কিন্তু এবার ৯৮ শতাংশ উত্তরদাতাই বলেছেন, অপর্যাপ্ত আয়, বেকারত্ব, পুনরায় বিদেশ যেতে না পারা, পারিবারিক চাপ ইত্যাদির কারণে চরম উদ্বিগ্নতা এবং মানসিক চাপের মধ্যে আছেন।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
ad600