ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অর্থনৈতিক আচরণে মিলতে পারে ডিমেনশিয়ার আগাম সংকেত স্বজন হারানো ও বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও গাজায় সেরা শিক্ষার্থী সাবা রাবাহ ‘ভেঙে পড়েছেন’ এমি, ভবিষ্যৎ নিয়ে কী ভাবনা আর্জেন্টাইন গোলরক্ষকের রাজধানীর ১২০ মোড়ে বসছে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল শিক্ষার্থীদের নিজেদের সন্তান মনে করে শিক্ষা দিতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী ক্ষতিকর কনটেন্ট না দেখানোর আইন কতটা মানছে ইউটিউব, কারা ঝুঁকিতে স্বর্ণের দাম কমছে কেন, আরও কত কমতে পারে সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা, উত্তরে বাড়ছে তিস্তার পানি সঙ্গীকে দেওয়া সেলিব্রিটি ‘সেক্স পাস’ কি আদৌ ভালো ধারণা বন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি, আছে স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ মৃত্যুর পরও মানুষ আপনাকে কেন মনে রাখবে খামেনি হত্যার প্রতিশোধের তালিকায় শীর্ষ ১৩ নেতা, প্রথমেই ট্রাম্প ইংল্যান্ডের সঙ্গে ৫ দেখায় ৩ হার, আর্জেন্টিনার লড়াই কতটা কঠিন তীব্র গরমে নারীরা কেন পুরুষের চেয়ে বেশি ভোগেন চীনের জিয়াংসি প্রদেশের সরকারি বৃত্তি, বয়সসীমা ২৫ বছর ঘুমে ঝাঁকুনি অনুভব হয় কেন, হিপনিক জার্ক কি বড় কোনো রোগ বৃষ্টির দিনের জনপ্রিয় গান কক্সবাজারে বানের পানির স্রোতে ভেসে গেছে দুই শিশু গাজা ইস্যুতে বার্নহামের ক্ষমাপ্রার্থনা, যুক্তরাজ্যের নীতিতে কি বদল আসছে জিমের নতুন ট্রেন্ড ইএমএস ওয়ার্কআউট আসলে কতটা কার্যকর
ad728

শিক্ষার্থীদের জীবনের কথা ভেবেই এই পদ্ধতিতে ফল: প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম: The Daily Moon
  • সংবাদ প্রকাশের তারিখ : Aug 14, 2026 ইং
  • ৭৮১ বার
ছবির ক্যাপশন: শিক্ষার্থীদের জীবনের কথা ভেবেই এই পদ্ধতিতে ফল: প্রধানমন্ত্রী

কভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণের জন্য দেশবাসীর প্রতি স্বাস্থ্য নির্দেশনা সঠিকভাবে মেনে চলার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ফেব্রুয়ারির পর করোনাভাইরাস পরিস্থিতির উন্নতি হলে সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে। একই সঙ্গে তিনি সরাসরি পরীক্ষা গ্রহণ না করে পূর্ববর্তী পরীক্ষার ভিত্তিতে এইচএসসির ফল মূল্যায়ন নিয়ে সমালোচনা না করার জন্য সমালোচকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে মানসিক চাপের সৃষ্টি হতে পারে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার সকালে গণভবন থেকে অনলাইনে পূর্ববর্তী পরীক্ষার মূল্যায়নের ভিত্তিতে সরাসরি পরীক্ষা ছাড়া ১১টি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন। সেগুনবাগিচার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সংশ্লিষ্ট বোর্ড চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে ফল গ্রহণ করেন।

সবাইকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে এই ফল দেখার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় গত ১৭ মার্চ থেকে আমাদের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হয়েছে। আমাদের পরীক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিলেও সকলকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে আমরা পরীক্ষা আয়োজন করতে পারিনি।’ তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশেই পরীক্ষা ছাড়াই পাস দেওয়া হয়েছে। তার আলোকে আমরাও এই পরীক্ষা বাতিল করতে বাধ্য হই। শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে এক বছর নষ্ট না করতে পরীক্ষা বাতিল করে পাসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’

শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখায় অনেকেই সরকারের সমালোচনা করছেন। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরাসরি পরীক্ষা নেওয়ার ফলে কোনো শিক্ষার্থী যদি সংক্রমিত হয়, তার দায় কি সমালোচনাকারীরা নেবেন? নিশ্চয়ই নেবেন না। তখন তাঁরা ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করতেন।

প্রধানমন্ত্রী সমালোচকদের উদ্দেশে বলেন, ‘তাঁরা শুধু অহেতুক সমালোচনাই করতে পারেন, কিন্তু পরিস্থিতি অনুযায়ী কার্যকর কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারেন না। শিক্ষার্থীদের জীবনের কথা ভেবেই এই পদ্ধতিতে ফল দেওয়া হয়েছে।’

ফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বত্তৃদ্ধতা করেন। ফল মূল্যায়ন নিয়ে এর আগে শিক্ষামন্ত্রী জানান, অষ্টমের সমাপনী এবং এসএসসির ফলের গড় করে ২০২০ সালের এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘করোনাভাইরাস সারা বিশ্বকে স্থবির করে দিয়েছে। আমাদের শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে একটা বছর নষ্ট হয়ে যাক, সেটা আমরা চাই না। তাদের জীবন চলমান থাকুক, সেটাই আমরা চাই। সেই কারণেই আমরা এই ফল ঘোষণা করলাম। আমি আশা করি, সবাই এ ব্যাপারে আনন্দিত হবেন এবং তাদের পড়াশোনা অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরো বলেন, যারা প্রমোশন পাবে, আগামী দিনে পড়াশোনা শুরু করতে পারবে এবং পরবর্তী পরীক্ষার ওপর তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করছে।

‘আমাদের শিশুদের, ছোট ছেলে-মেয়েদের জীবনের দিকে তাকাতে হবে। তারা যেন কোনোভাবেই হতাশাগ্রস্ত না হয়ে পড়ে। এমনিতেই তারা স্কুল-কলেজে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারছে না। এটা তাদের জীবনে বিরাট একটা সমস্যা সৃষ্টি করছে। তাই ফল নিয়ে সমালোচকদের বিরত থাকার জন্য আমি অনুরোধ জানাচ্ছি’, যোগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এই ফেব্রুয়ারি মাসটা নজরে রাখব। যদি এই ফেব্রুয়ারি মাসে অবস্থা ভালো থাকে, তাহলে পরবর্তীতে সীমিত আকারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে শিক্ষার্থীরা যাতে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারে, সেই ব্যবস্থাটা আমরা নেব।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন ক্রয় করে ফেলেছি। করোনাভাইরাস মোকাবেলায় যত ধরনের পদ্ধতি আছে, সবই আমরা প্রয়োগ করে যাচ্ছি। যখন থেকে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের গবেষণা শুরু হয়েছিল, তখন থেকেই আমরা আগাম টাকা দিয়ে ভ্যাকসিন বুক করে রেখেছিলাম যে যখনই এটা আবিষ্কৃত হবে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদন দেবে, সাথে সাথে আমরা যেন সেটা আনতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করেছি। আমি নির্দেশ দিয়েছি, আমাদের যাঁরা শিক্ষক, স্কুল-কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে যাঁরা কর্মরত, তাঁদেরও যেন করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন দ্রুত দেওয়া হয়।’

প্রধানমন্ত্রী ফল প্রকাশে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা আরেকটু কষ্ট করেন, ছেলে-মেয়েরা যেন পাঠে মনোযোগী হয়। সকলের ভালোর জন্য এই ফলাফল ঘোষণা করা হলো, যাতে এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জীবনটা সুন্দর ও সফল হয়।’

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
ad600