ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অর্থনৈতিক আচরণে মিলতে পারে ডিমেনশিয়ার আগাম সংকেত স্বজন হারানো ও বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও গাজায় সেরা শিক্ষার্থী সাবা রাবাহ ‘ভেঙে পড়েছেন’ এমি, ভবিষ্যৎ নিয়ে কী ভাবনা আর্জেন্টাইন গোলরক্ষকের রাজধানীর ১২০ মোড়ে বসছে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল শিক্ষার্থীদের নিজেদের সন্তান মনে করে শিক্ষা দিতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী ক্ষতিকর কনটেন্ট না দেখানোর আইন কতটা মানছে ইউটিউব, কারা ঝুঁকিতে স্বর্ণের দাম কমছে কেন, আরও কত কমতে পারে সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা, উত্তরে বাড়ছে তিস্তার পানি সঙ্গীকে দেওয়া সেলিব্রিটি ‘সেক্স পাস’ কি আদৌ ভালো ধারণা বন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি, আছে স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ মৃত্যুর পরও মানুষ আপনাকে কেন মনে রাখবে খামেনি হত্যার প্রতিশোধের তালিকায় শীর্ষ ১৩ নেতা, প্রথমেই ট্রাম্প ইংল্যান্ডের সঙ্গে ৫ দেখায় ৩ হার, আর্জেন্টিনার লড়াই কতটা কঠিন তীব্র গরমে নারীরা কেন পুরুষের চেয়ে বেশি ভোগেন চীনের জিয়াংসি প্রদেশের সরকারি বৃত্তি, বয়সসীমা ২৫ বছর ঘুমে ঝাঁকুনি অনুভব হয় কেন, হিপনিক জার্ক কি বড় কোনো রোগ বৃষ্টির দিনের জনপ্রিয় গান কক্সবাজারে বানের পানির স্রোতে ভেসে গেছে দুই শিশু গাজা ইস্যুতে বার্নহামের ক্ষমাপ্রার্থনা, যুক্তরাজ্যের নীতিতে কি বদল আসছে জিমের নতুন ট্রেন্ড ইএমএস ওয়ার্কআউট আসলে কতটা কার্যকর
ad728

বন্ধ ক্যাম্পাসেই হচ্ছে ভিসি নিয়োগ, সনদ দেয়া হচ্ছে পরীক্ষা ছাড়াই

রিপোর্টারের নাম: The Daily Moon
  • সংবাদ প্রকাশের তারিখ : Aug 16, 2026 ইং
  • ৭৮১ বার
ছবির ক্যাপশন: বন্ধ ক্যাম্পাসেই হচ্ছে ভিসি নিয়োগ, সনদ দেয়া হচ্ছে পরীক্ষা ছাড়াই

রাউফুল আলম: দেশের ইউনিভার্সিটি এবং অন‍্যান‍্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এক বছরের বেশি সময় বন্ধ। শিক্ষা কার্যক্রম ফ্রোজেন হয়ে আছে। দেশে শুধু পাবলিক বিশ্ববিদ‍্যালয়ের শিক্ষক আছে সাত-আট হাজার। তাদের দশ ভাগ শিক্ষকও কি এই অবস্থা নিয়ে জাতীয় দৈনিকগুলোতে লিখেছে? কিভাবে এই অবস্থা থেকে বের হওয়া যায় সেটা নিয়ে পরিকল্পনা করে সরকারকে জমা দিয়েছে?

ভিসি নিয়োগ চলছে। প্রোভিসি নিয়োগ চলছে। প্রক্টর নিয়োগ চলছে। প্রশাসনিক নিয়োগ চলছে। শুধু বন্ধ হয়ে আছে তরুণদের শিক্ষা। যথারীতি পরীক্ষা ছাড়াই আমরা সার্টিফিকেট দিয়েছি।

মহামারিতে সারা দুনিয়াতেই ছেলে-মেয়েরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। কিন্তু আমাদের শিক্ষা তো পুরোপুরি বন্ধ হয়ে আছে। মাথাব‍্যথাও নাই। দেশের ভিসিরা একত্রিত হতে পারতো। দশটা মিটিং করতে পরতো। পাঁচটা প্ল‍্যান সরকারকে জমা দিতে পারতো। দেশে যে এক্সাম সেন্টার গড়ে তোলা কতো জরুরি, এটা এখনো উপলব্ধি করতে দেখছি না।

দেশের শিক্ষা নিয়ে কি রিক্সাওয়ালা কথা বলবে? শ্রমিকরা কথা বলবে? গার্মেন্টস কর্মীরা, ব‍্যাংকার, পুলিশরা কথা বলবে? দেশের শিক্ষা নিয়ে কথা বলবে শিক্ষকরা। এবং বিশ্ববিদ‍্যালয়ের শিক্ষকরা। তাদের সম্মলিতি প্রচেষ্টা তো দূরের কথা, টেন পার্সেন্ট শিক্ষকের কোন সম্মিলিত ভয়েস নেই। হোয়াট এ পিটি!

এই যে লক্ষ লক্ষ ছেলে-মেয়ে ঘরে বসে মগজে জং ধরাচ্ছে— সেটার জন‍্য সমাজকে অনেক ক্ষতির মধ‍্য দিয়ে যেতে হবে। The nation has to pay for this! (ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

লেখক: বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান গবেষক

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
ad600